নরকের রাজ পুত্র

Logo Design by FlamingText.com
Logo Design by FlamingText.com

Cheak you Time

শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

এই কথা গুলো নিতান্তুই সত্য...

এই কথা গুলো নিতান্তুই সত্য...
আমি চাই তোমাকে এক নজর দেখার পর যেন
আমি অন্ধ হয়ে যাই
তুমি ছাড়া আর কেউ যেন না ভাসে এই চোখে 
আমি চাই তোমাকে এক
মুহূর্তে ভালোবেসে যেন আমার
হৃদয়স্পন্ধন বন্ধ হয়ে যায়
যাতে সেই হৃদয়ে আর কারো বিচরন না হয়
আমি চাই তোমাকে এক বার ছোঁয়ার পর যেন
আমার হাতকর্পূরের মত উড়েযায়
যাতে এই হাত আর কারো ছোঁয়া না পায় .
আমি চাই তোমাকে একবার আলিঙ্গনের
পরেই যেন আমার মরন হয়
যেন এ দেহ আর কারো আলিঙ্গন  না চায়.

রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

তুমি নেই আজ



সন্ধ্যায় আলো মিলিয়ে যাওয়া আকাশ
বিষণ্ন এক ভাব
এদিক ওদিক চারদিক নীরব
আলোকিত চাঁদ উঁকি দেয়
চারদিকে আলোর ছটা
এমন এক রাত চেয়েছিলাম
কান্না করবো বলে
চাঁদের দিকে তাকিয়ে তোমাকে
নীরবে ভেবে ভেবে
আজ চাঁদ আছে সাথে
মনের মত পরিবেশ
নেই শুধু.........

~আমার এ প্রেম নয় তো ভীরু ~রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর



আমার এ প্রেম নয় তো ভীরু,
নয় তো হীনবল -
শুধু কি এ ব্যাকুল হয়ে
ফেলবে অশ্রুজল।
মন্দমধুর সুখে শোভায়
প্রেম কে কেন ঘুমে ডোবায়।
তোমার সাথে জাগতে সে চায়
আনন্দে পাগল।
নাচ' যখন ভীষণ সাজে
তীব্র তালের আঘাত বাজে,
পালায় ত্রাসে পালায় লাজে
সন্দেহ বিহবল।
সেই প্রচন্ড মনোহরে
প্রেম যেন মোর বরণ করে,
ক্ষুদ্র আশার স্বর্গ তাহার
দিক সে রসাতল।

═══════════════════════

____ নির্যাতিত অনুভুতি


কোনো এক অভিশপ্ত সন্ধ্যা
অসহায় বন্ধুত্ব উপহাস করে
আমার নিষ্পাপ অনুভুতি
নিঃস্বার্থ অধ্যায় নিঃশেষ।
তবুও তোমার বিভক্ত ইচ্ছেপ্রহর
সাময়িক ছলনা-মঞ্চে ভাগ্যদেবতা
বড় কষ্ট নিয়ে নির্যাতিত অনুভুতি !

এ যেন
জীবন-রেখার দগ্ধ কত প্রহর !
৩৬৫ তম গোধুলি বেলায়
বিষন্ন অভিমান ও নিরব আর্তনাদে
হৃদয় দুয়ারে মৌন অভিমান।
রক্তাক্ত অন্তর্দহনে শশ্মানের যাত্রী
স্বার্থপর দুঃসময়ে নির্যাতিত অনুভুতি।

এখন
ক্লান্ত চোখের পাতা নিদ্রাহীন
অতীত দুয়ারে বিধ্বস্ত প্রাণ
ভীষণ মনোকষ্টে চলমান যাত্রী।
চারপাশে কত করুনাময়ী
তবুও জগতকে মেনে নিয়ে
কবিতার মানবতায়, তোমাদের জানিয়ে
নির্যাতিত অনুভুতি বাঁচে !
তোমাদের আশেপাশে -
ডানা জাপটানো পাখীর
রক্তাক্ত মৃত্যুস্বাদ নিয়ে !

মুহূর্তের ছায়াচ্ছন্ন চোখ


অপরূপ বিকেলের মেঘরোদ্দুর লুকোচুরি
আকাশের অপলক দৃষ্টিতে মুহূর্তের ছায়াচ্ছন্ন চোখে
লুকানো ছিল কি কোন অনুপম বিষণ্ণতা ?
আমি কি বিসৃত ছিলাম তবে ম্রিয়মাণ গোধূলি
নিসর্গের সকরুন বৃষ্টিবিলাপ ,ভরা ভাদরের জলতরঙ্গ ?
শুনিনি কি এই মাধুরী মাখা নির্জন নিভৃতসঙ্গীত
আমাতেই বিলীন একাকী আত্মমগ্ন আমি
কোন বিশেষ কিছু কি বলিনি তবে এই সুনীল প্রকৃতির কাছে ?
তাই বুঝি ঘনঘোর গহন আঁধার নেমেছিল
আকাশের আলোকিত দৃষ্টিতে মুহূর্তের ছায়াচ্ছন্ন চোখে ?

বুধবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৩

তোমাকে দেখলে

তোমাকে দেখলে
ইচ্ছে করে শুরু থেকে শুরু করি আমার
জীবন।
তোমাকে দেখলে
ইচ্ছে করে মরে যাই, মরে গিয়ে পুন্য
জল হই
কখনও তৃষ্ণার্ত হলে তুমি সেই জল
যদি ছুঁয়ে দেখো।
আমার আকাশ দেব
তুমি রোদ বৃষ্টি যখন যা খুশি চাও
নিয়ো
তোমার অনিদ্রা জুড়ে দেব
আমি আমার মর্ফিন।
বারো বছরের মতো দীর্ঘ
একটি রাত্তির দিয়ো
তোমাকে দেখার।
তুমি তো চাঁদের চেয়ে বেশি চাঁদ
তোমার জ্যোৎস্নায়
চুড়ো করে খোঁপা বেঁধে
কপালে সিঁদুর দিয়ে একদিন খুব
করে সাজব রমণী..
তোমাকে দেখলে
ইচ্ছে করে মরে যাই। তোমার আগুনে
আমার মুখাগ্নি যদি হই,
মরে আমি স্বর্গে
যাব।

সোমবার, ২২ জুলাই, ২০১৩

অন্য

অন্য
------
জলের হাত থাকে চিবুক থাকে
জলও তাঁবু ফেলে সমতলে বসল

ধোঁয়া দেখে আমরা অবাক হয়ে গেলাম

খাতের জল অন্য খাতেই বযে যায়
গাছের শিকড় থেকে অন্য গাছই রস টেনে নেয়

অনেক দূরের গম্বুজে
মিশে থাকল পাখির অবয়ব

ঢেউ হঠাত্‍ লাফিয়ে উঠে রং বদলে নিল !!

তোমার জন্য

তোমার জন্য
--------
নদী বললে বলব তাকে
জল নিয়ে যা
যেমন খুশী যেথায় খুশী
যা বয়ে যা
তোর তো আছে সাগর, পাহাড়
অবিশ্রান্ত ছন্দ চলার
আমায় নিয়ে মিছেই
তোর ভাবনা বিলাস

পাখী বললে বলব তাকে
শ্রান্ত হলে ক্লান্ত ডানা
দন্ড দু'এক বসতে পারিস
ইচ্ছে হলেই গাইতে পারিস
তুই তো আরেক ছন্নছাড়া
এসব কথা তোর সাজে না

আকাশ বাতাস যেই বলুক
আমার জন্য আমার নিয়ম
এলোমেলো চেয়ার টেবিল
বইপত্র লেখার খাতা
আমার এমন ছন্দবিহীন
অবিন্যস্ত জীবন যাপন
যেমন ছিল থাকবে তেমন

শুধু
তুমি বললে
অমনি আমি সুবোধ বালক
ফিরতে ঘরে রাত হবেনা
ভরবে সাদা লেখার খাতা
গুটি গুটি লিখবো বসে
তোমার জন্য এই কবিতা

হিরণ্ময় আত্মা ১৫ -The Diamond Soul

হিরণ্ময় আত্মা ১৫
 The Diamond Soul

সুদুরে যাও , গভীরে বও , দূর থেকে আরও নিকটবর্তী
কখনো দীর্ঘ তরঙ্গমালা , কখনো ক্ষুদ্র জলোচ্ছ্বাস
নিপুণ আলোর সূক্ষ্ম থেকে সূক্ষ্মতরো
বিন্যাস ও বিচ্ছুরণে চৈতন্যের সযত্ন প্রয়াস ।

জলের গহীনে কখনো অবিরাম অগ্নুৎপাত ,বজ্রনিনাদ
দহনের উষ্ণতা নিয়ে অবিশ্বাস্য ছাইভস্ম থেকে
জেগে ওঠা অচিন ,আতিকায় পাখি যেন তুমি

চির আদিমতার সুবিশাল আঁধার ভুবন থেকে
জগতের সকল অম্লান কথা ও কাহিনী পুনরুদ্ধার করে
হিরণ্ময় আলোকে আলোকিত কর ভুবন আমার ।

ডানার শব্দে সীমাহীন অনন্ত পথে পথে
বুনে যাও জীবনের জয়গান অবিরাম
তোমার কলতানে এঁকে যাও পালক রেখায়
আমার আকাশে কি উল্লাসে আশার ছবি ।

ছায়াচ্ছন্ন রংধনু গোধূলির মায়ামূর্তি তুমি বহুমাত্রিক বিস্তারে
সাথে করে টেনে নাও হৃদয়ের উচ্ছ্বাস যত
কোন পথে সাবলিল অনমনীয় অপার উড়াল উজ্জ্বলতম স্বর্গদ্বারে ।
(Collection)

কামদুনি -দেবেশ ঠাকুর

কামদুনি
দেবেশ ঠাকুর

মেয়েটি কলেজের ছাত্রী
মেয়েটি পথ হাঁটে রোজদিন
মেয়েটির মা বাপ আনপড়
অপুষ্টি উপবাসে সঙ্গিন।
মেয়েটি লেখাপড়া শিখবেই
অদূরে নগরের মায়াডাক
যে নগর জেগে আছে রেনেসাঁস
এ গাঁয়ে বীণাপাণি ঘুম যাক।

মেয়েটি কলেজের ছাত্রী
দুচোখে স্বপনের ইমারত
আরো সে পড়বে, পড়বেই
পড়াবে, পড়বে সে যুগপৎ।
যে আলোক চিনে দেয় অক্ষর
সে আলোয় মেয়েটিকে ধর্ষণ
ছিলোনা সংজ্ঞায় , আঘাতে
সেদিন মেঘ - ভাঙা বর্ষণ।

মেয়েকে চিরে জরা রাক্ষস
পশুও এর চেয়ে দয়াময়
এ কোন রাত্রির কথা ভাস
সময় বোঝে কি এ সংশয়!
এবার দাম আর দস্তুর
কিশোরী নিলামের পাটাতে
এবার লাশ নিয়ে মেধা-বাদ
কে কাকে পথে নেবে হাঁটাতে!

ও কবি ও গায়ক আঁকিয়ে
মোমবাতি জ্বালো সুতো পাকিয়ে।