নরকের রাজ পুত্র

Logo Design by FlamingText.com
Logo Design by FlamingText.com

Cheak you Time

সোমবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০১৪

শূন্যতার শব্দে গজল

উদভ্রান্ত পথিক খোঁজে নক্ষত্র আলো,  কোনসে নীহারিকায়

শূন্যতার শব্দে

আমার ভুলের শেষপ্রান্তে তোমাকে খুঁজি
তোমার কারণে লুকানো মরণে প্রতিদিন সাজি ।

চলো পথিক আজ পথহারা হয়ে যাই
তারে খুঁজে আর কি হবে
আগের মতোই পথযে সরল
তোমারে বুকে টেনে নেবে ।।

তিলে তিলে যে শেষের টানে
তোমার বুকে কতো আঘাত হানে
তুমি কবে আর বুঝবে
ওরে প্রদীপের পুড়া বেদনায় কতো
স্মৃতির ঝরা মালা কুঁড়াবে ।

জানি,
নিজেকে তুমি নিজেই গুছিয়ে নিতে পারবে
তুমি জানো এ তোমার ভুল পথ ।
তবু কেনো খেলছো পরাজয়ের খেলা...?

বেদনার বাঁশিতে তুমি ফুঁ দিয়োনা
নিজের বুকে আর জ্বালা নিয়োনা ।
অকারণ চোখ জলে ভাসবে
সেতো বুঝেনা সেতো দিওয়ানা
বিরহে তারে ভালবেসে যাবে ।।

২৭/০১/২০১৪
at IUBAT


একজন কৃষকের কাছেও
জানা হ'ল না
আমার কবিতা তার ভাল লেগেছে
ঘেমে-নেয়ে এসে একজন শ্রমিকও জানাল না
সেই একই কথা
জানাল না ভ্যান-চালক,জানাল না চা-ওয়ালা
না জানাল কাজের মাসী
না মা, না বাবা, না তুমি...

জানাল, জানাল, জানাল বোদ্ধা
কখনও ভাল, কখনও মন্দ, কখনও নিরুত্তাপ
কখনও কথার ব্যাটে তার ছক্কা ।

লিখব না তবে ? লিখব
সেই বোদ্ধাদের জন্য
কবিতা নাকি কোথায় বলেছে--
এ সবার জন্য নয় ।

আমার আর অ-কবি হওয়া হ'ল না বুঝি !

মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৩

অন্তিম ক্ষণের অনু চাওয়া………


সহস্র ফুলের পাপড়ি থেকে কুড়িয়ে নিয়ে
একটি সকাল পেরিয়ে সন্ধায় গিয়েছিলাম
ঐ দুরের কোন এক সৈকতের পাড়ে।
আজো কি সেই স্মৃতি তোমায় মনে পরে ?
আমি ভুলব না কোন দিন,
তেমনি আমায় একদিন হবে গলায় মালা পড়িয়ে।

সৌন্দযর্তা সূর্য অস্তের সাথে বিলীন হতে পারে না
আমি শীতল
নিষ্পলক তাকিয়ে থাকে চোখের মুক্ত মণি
তুষারপাতে চনমনে বিবেক তোমার
আজ ফ্যাকাসে মলিন আমি
সময়ের দাবি যে গ্রহে আছি-তোমার রুপ লাবণ্য
আমার অন্তিম ক্ষণের অনু চাওয়া ।

এখন তোমার ঐশী মসলায় ভাজা হচ্ছে আত্মা আমার
হৃদয়ে শ্বাস নিতে পারছি না
চোখের পলকে এসে আছড়ে পড়ে তপ্ত দীর্ঘশ্বাস।
আর কত প্রতীক্ষায় থাকবো বলো দুরে রেখে উর্ধ্ধশ্বাস ?
তোমার মাঝে চিরন্তন সত্যের অবকাশ,
আমরা একত্রে আলিঙ্গণে করবো বসবাস ।

এখন কিছু কাঙ্খিত সময়ের গভীর অপেক্ষায় থাকি
ধৈর্যহারা অপেক্ষা
অসহ্য, অগ্রহণীয় কিছু বিষাক্ত দৃশ্য চোখে ধরা পড়ে
এই উজার করা ভালবাসায় অবশ্যই বিশ্বাস করা কঠিন ।
তারপরো আমার উদাসী ভাবনায়
গভীর চেতনায়
আবেগ আর অনুভবে মিশে আছো এক তুমি, শুধু তুমি ।

এক শুদ্ধ প্রেমের পারাবারের স্নান করেছি আমি,
হয়েছি সত্যপ্রেমী
অবশেষে,
আমার গহীনেই তোমার অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছি ।
২৩/১২/২০১৩

“আমি ভাল আছি” --সাগর ভট্টাচার্য্য

“আমি ভাল আছি”



কোথা থেকে তোমার আকাশ ছুঁয়ে
এক ঝাঁক সাদাকালো মেঘ
আমার আকাশে এসে
বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ল!
সেই বৃষ্টির জলে তোমার গন্ধ....
আমাকে উতাল করে দিল...
হঠাৎই মনে পড়ল..
  মরিচিকা তুমি ভাল আছো তো?

অনেক দিল হল তোমার ঐ মুখ দেখি নি,
অনেকটা সময় পার হয়ে গেছে
কোন কথাও বলিনি,
তোমার সুখস্মৃতি বুকে আগলে আছি এখনও,
সে স্মৃতি আজও মলিন হতে দিই নি|

অনেক যত্নে রেখেছি আমি তোমায়,
আমার এ অন্তঃকরণে,
কখনো তোমার অভাব বুঝতে দিই নি নিজেকে...

আজ হঠাৎ এই বৃষ্টির গন্ধ
মনে করিয়ে দিল তোমার ভেজা চুলের সুবাস,
জুঁই ফুলের মালা ..বৃষ্টি ভেজা গন্ধ..
সব মিলে আজ আমার মনে জেগে উঠল
তোমাকে ফিরে পাওয়ার আশ্বাস..

  মরিচিকা তুমি কেমন আছো?
জানো আমি দারুণ ভাল আছি,
আমার হৃৎপিন্ডটা..
ডাক্তার বলছে আর বেশি সক্ষম নয়,
ছাড়োতো ওদের কথা,
যখন রাতে শ্বাস কষ্টে ঘুম আসে না,
তোমার ছবি বুকে ধরে
কত কথাই বলি তোমায়,
তুমি কি শুনতে পাও তা?
আমার মনে হয় তুমি আমার বুকে হাত বুলিয়ে দিচ্ছ,
আরামে তখন চোখে জল নিয়ে
চোখ বুজে শুয়ে থাকি,
কারন জানি চোখ খুললেই
তুমি চলে যাবে...

রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৩

প্রিয় মরিচিকা..........

প্রিয় মরিচিকা..........
আজ একটা সত্যি কথা বলি,
আমি কখনোই তোমার দৈহিক সান্নিধ্য চাই নি,
চাই নি আমি তোমার কাছে গভীর আবেগ আলিঙ্গন,
চাই নি আমি চাই নি...তুমি দাও আমার শুষ্ক ঠোঁটে চুম্বন....
কারন এ নিতান্তই অতি সহজ ও পরিচিত চিত্র|
চাই নি আমি সবার মত প্রেমাবেশে হাতে হাত রেখে ঘুরে বেড়াতে!
চাই নি আমি সকলের মত নিয়ম মাফিক কথা বলতে..দেখা করতে||

আমি শুধু চেয়েছি প্রাণ ভরা ভালবাসা,
চেয়েছি চাপা অনুভূতি,
চেয়েছি বুঝতে আর বোঝাতে...
দুজন দুজনার কাছে কতটা দামী....মরিচিকা!
আমার কবিতার ছত্রেছত্রে তুমি মিশে,
আমার প্রতিটি নিঃশ্বাসেও তুমিই মিশে,
আমি চেয়েছিলাম. যখন আমি বলব তোমায় ভালবাসি,
তুমি বলবে না ভালবাস,
শুধু গভীর চোখের অপলক চাহুনিতে
বুঝিয়ে দেবে..
প্রতিটি নিঃশ্বাস তোমারও আমাতেই মিশে....

অদৃষ্ট

তোমায় ছোঁব বলে
ভেঙ্গেছি হাতের দুটি আঙ্গুল
গোড়ালি মচকে গেছে
তবু হেসে চলেছি পথ
টেনে চলেছি কতদিন ধরে
সেই ভারি চিন্তাগুলো
মা'কে বলিনি মোটেই
মা'তো রোজই জানতে চায়।

জানালার কাঁচে কেটেছে হাত
ভিত শামুকের মত গুটিয়েছ শরীর
আনমনা হয়েছে মন...
ভেঙ্গেছি বন্ধুত্ত্ব।

সিগারেট ধরা হাতে
ছেঁকা লেগে সম্বিত ফিরেছে
অবশেষে হেসেছি বলেছি...
পার বটে ঈশ্বর তুমি।

পারামিতার অভিমান

পারামিতা তুমি অবহেলা করেছ বলে.......
অভিমানে আকাশ তার সূর্যটাকে মেঘ দিয়ে ঢেকে ফেলেছে
সকাল থেকে রোদের ঝিলিক হারিয়ে গেছে কুয়াশার অন্ধকারে........
মনটা তাই বিষন্ন্তায় ছেয়ে আছে তোমার স্মৃতি গুলোতে

পারামিতা তুমি অবহেলা করেছ বলে
অভিমানে রাতের আকাশে চাঁদ উঠেনি অমাবশ্যা দিয়ে ঢেকে ফেলেছে
জোৎসনার আলোরা ঝিকিমিকি করেনি রাতের আঁধারে
হৃদয়টা আমার তোমার ভালবাসার গহীন সাগরে ভেসে গেছে ...

পারামিতা তুমি অবহেলা করেছ বলে
অভিমানে সাগরের লোনা জল স্পর্শ করেনি ঐ সুদুর বালু চড়ে
আর বালি হাঁসরা উড়ে আসেনি শিকার ধরার ছলে....
বিপন্ন আমার সুর হারিয়ে গেছে কোন অবেলাতে কে জানে ???

পারামিতা তুমি অবহেলা করেছ বলে
অভিমানে ফুলেরা সুভাষ ছড়ায়নি দক্ষিনা হাওয়াতে
দুধ ধানের শীষ মরে পড়ে আছে ক্ষেতের আলে'
মাছরাঙা হারিয়েছে পালকের রঙিন কবিতা।

পারামিতা তুমি অবহেলা করেছ বলে
অভিমানে থমকে গেছে আমার পৃথিবীর সব চাওয়া পাওয়া
এতো বিপর্যয় আমার সারা পৃথিবীময় কাটেনা সময়
তুমি কি আজও আমার হৃদয় খুলে তোমার ভালবাসার আদর দিয়ে
কল্লোল তুলবেনা?
অভিমান করে চলে গেলে তুমি কি আমার জীবনে আর ফিরে আসবেনা ???????

রবিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৩

শেষ বিকেলের তীর্যক সূর্যালোক
আছড়ে পড়ে হলদেটে ভবনটার গায়
চূড়ায় তার নীল গম্বুজ
তাতে নেই অতলান্তিকের সুনীল প্রাণবন্ততা;
বরং মরা মাছের চোখের মত ঝাপসা, ঘষা কাঁচের মতো
আপাত স্থির আমি,
চারপাশে অপরিমেয় গতিময়তা......মোশন ব্লার
একটু হাঁসফাঁস, ক্ষণিক দীর্ঘশ্বাস-
ব্যতিব্যস্ত হয়ে মুছি কপোলের লোনা জল,
উৎস তার কোথায় সে অবশ্য জানা নেই।
ধূসর আকাশ, গুমোট স্থব্ধতা-
চারপাশে এত সরবতার মাঝেও এক
অসহনীয় অব্যক্ততা,
ক্লান্ত অনিচ্ছুক পায়ে এগিয়ে চলি
দীর্ঘ হতে দীর্ঘতর হতে থাকে আমার ছায়া
সন্ধ্যা এই নামলো বলে

শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

এই কথা গুলো নিতান্তুই সত্য...

এই কথা গুলো নিতান্তুই সত্য...
আমি চাই তোমাকে এক নজর দেখার পর যেন
আমি অন্ধ হয়ে যাই
তুমি ছাড়া আর কেউ যেন না ভাসে এই চোখে 
আমি চাই তোমাকে এক
মুহূর্তে ভালোবেসে যেন আমার
হৃদয়স্পন্ধন বন্ধ হয়ে যায়
যাতে সেই হৃদয়ে আর কারো বিচরন না হয়
আমি চাই তোমাকে এক বার ছোঁয়ার পর যেন
আমার হাতকর্পূরের মত উড়েযায়
যাতে এই হাত আর কারো ছোঁয়া না পায় .
আমি চাই তোমাকে একবার আলিঙ্গনের
পরেই যেন আমার মরন হয়
যেন এ দেহ আর কারো আলিঙ্গন  না চায়.

রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

তুমি নেই আজ



সন্ধ্যায় আলো মিলিয়ে যাওয়া আকাশ
বিষণ্ন এক ভাব
এদিক ওদিক চারদিক নীরব
আলোকিত চাঁদ উঁকি দেয়
চারদিকে আলোর ছটা
এমন এক রাত চেয়েছিলাম
কান্না করবো বলে
চাঁদের দিকে তাকিয়ে তোমাকে
নীরবে ভেবে ভেবে
আজ চাঁদ আছে সাথে
মনের মত পরিবেশ
নেই শুধু.........

~আমার এ প্রেম নয় তো ভীরু ~রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর



আমার এ প্রেম নয় তো ভীরু,
নয় তো হীনবল -
শুধু কি এ ব্যাকুল হয়ে
ফেলবে অশ্রুজল।
মন্দমধুর সুখে শোভায়
প্রেম কে কেন ঘুমে ডোবায়।
তোমার সাথে জাগতে সে চায়
আনন্দে পাগল।
নাচ' যখন ভীষণ সাজে
তীব্র তালের আঘাত বাজে,
পালায় ত্রাসে পালায় লাজে
সন্দেহ বিহবল।
সেই প্রচন্ড মনোহরে
প্রেম যেন মোর বরণ করে,
ক্ষুদ্র আশার স্বর্গ তাহার
দিক সে রসাতল।

═══════════════════════

____ নির্যাতিত অনুভুতি


কোনো এক অভিশপ্ত সন্ধ্যা
অসহায় বন্ধুত্ব উপহাস করে
আমার নিষ্পাপ অনুভুতি
নিঃস্বার্থ অধ্যায় নিঃশেষ।
তবুও তোমার বিভক্ত ইচ্ছেপ্রহর
সাময়িক ছলনা-মঞ্চে ভাগ্যদেবতা
বড় কষ্ট নিয়ে নির্যাতিত অনুভুতি !

এ যেন
জীবন-রেখার দগ্ধ কত প্রহর !
৩৬৫ তম গোধুলি বেলায়
বিষন্ন অভিমান ও নিরব আর্তনাদে
হৃদয় দুয়ারে মৌন অভিমান।
রক্তাক্ত অন্তর্দহনে শশ্মানের যাত্রী
স্বার্থপর দুঃসময়ে নির্যাতিত অনুভুতি।

এখন
ক্লান্ত চোখের পাতা নিদ্রাহীন
অতীত দুয়ারে বিধ্বস্ত প্রাণ
ভীষণ মনোকষ্টে চলমান যাত্রী।
চারপাশে কত করুনাময়ী
তবুও জগতকে মেনে নিয়ে
কবিতার মানবতায়, তোমাদের জানিয়ে
নির্যাতিত অনুভুতি বাঁচে !
তোমাদের আশেপাশে -
ডানা জাপটানো পাখীর
রক্তাক্ত মৃত্যুস্বাদ নিয়ে !

মুহূর্তের ছায়াচ্ছন্ন চোখ


অপরূপ বিকেলের মেঘরোদ্দুর লুকোচুরি
আকাশের অপলক দৃষ্টিতে মুহূর্তের ছায়াচ্ছন্ন চোখে
লুকানো ছিল কি কোন অনুপম বিষণ্ণতা ?
আমি কি বিসৃত ছিলাম তবে ম্রিয়মাণ গোধূলি
নিসর্গের সকরুন বৃষ্টিবিলাপ ,ভরা ভাদরের জলতরঙ্গ ?
শুনিনি কি এই মাধুরী মাখা নির্জন নিভৃতসঙ্গীত
আমাতেই বিলীন একাকী আত্মমগ্ন আমি
কোন বিশেষ কিছু কি বলিনি তবে এই সুনীল প্রকৃতির কাছে ?
তাই বুঝি ঘনঘোর গহন আঁধার নেমেছিল
আকাশের আলোকিত দৃষ্টিতে মুহূর্তের ছায়াচ্ছন্ন চোখে ?

বুধবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৩

তোমাকে দেখলে

তোমাকে দেখলে
ইচ্ছে করে শুরু থেকে শুরু করি আমার
জীবন।
তোমাকে দেখলে
ইচ্ছে করে মরে যাই, মরে গিয়ে পুন্য
জল হই
কখনও তৃষ্ণার্ত হলে তুমি সেই জল
যদি ছুঁয়ে দেখো।
আমার আকাশ দেব
তুমি রোদ বৃষ্টি যখন যা খুশি চাও
নিয়ো
তোমার অনিদ্রা জুড়ে দেব
আমি আমার মর্ফিন।
বারো বছরের মতো দীর্ঘ
একটি রাত্তির দিয়ো
তোমাকে দেখার।
তুমি তো চাঁদের চেয়ে বেশি চাঁদ
তোমার জ্যোৎস্নায়
চুড়ো করে খোঁপা বেঁধে
কপালে সিঁদুর দিয়ে একদিন খুব
করে সাজব রমণী..
তোমাকে দেখলে
ইচ্ছে করে মরে যাই। তোমার আগুনে
আমার মুখাগ্নি যদি হই,
মরে আমি স্বর্গে
যাব।

সোমবার, ২২ জুলাই, ২০১৩

অন্য

অন্য
------
জলের হাত থাকে চিবুক থাকে
জলও তাঁবু ফেলে সমতলে বসল

ধোঁয়া দেখে আমরা অবাক হয়ে গেলাম

খাতের জল অন্য খাতেই বযে যায়
গাছের শিকড় থেকে অন্য গাছই রস টেনে নেয়

অনেক দূরের গম্বুজে
মিশে থাকল পাখির অবয়ব

ঢেউ হঠাত্‍ লাফিয়ে উঠে রং বদলে নিল !!

তোমার জন্য

তোমার জন্য
--------
নদী বললে বলব তাকে
জল নিয়ে যা
যেমন খুশী যেথায় খুশী
যা বয়ে যা
তোর তো আছে সাগর, পাহাড়
অবিশ্রান্ত ছন্দ চলার
আমায় নিয়ে মিছেই
তোর ভাবনা বিলাস

পাখী বললে বলব তাকে
শ্রান্ত হলে ক্লান্ত ডানা
দন্ড দু'এক বসতে পারিস
ইচ্ছে হলেই গাইতে পারিস
তুই তো আরেক ছন্নছাড়া
এসব কথা তোর সাজে না

আকাশ বাতাস যেই বলুক
আমার জন্য আমার নিয়ম
এলোমেলো চেয়ার টেবিল
বইপত্র লেখার খাতা
আমার এমন ছন্দবিহীন
অবিন্যস্ত জীবন যাপন
যেমন ছিল থাকবে তেমন

শুধু
তুমি বললে
অমনি আমি সুবোধ বালক
ফিরতে ঘরে রাত হবেনা
ভরবে সাদা লেখার খাতা
গুটি গুটি লিখবো বসে
তোমার জন্য এই কবিতা

হিরণ্ময় আত্মা ১৫ -The Diamond Soul

হিরণ্ময় আত্মা ১৫
 The Diamond Soul

সুদুরে যাও , গভীরে বও , দূর থেকে আরও নিকটবর্তী
কখনো দীর্ঘ তরঙ্গমালা , কখনো ক্ষুদ্র জলোচ্ছ্বাস
নিপুণ আলোর সূক্ষ্ম থেকে সূক্ষ্মতরো
বিন্যাস ও বিচ্ছুরণে চৈতন্যের সযত্ন প্রয়াস ।

জলের গহীনে কখনো অবিরাম অগ্নুৎপাত ,বজ্রনিনাদ
দহনের উষ্ণতা নিয়ে অবিশ্বাস্য ছাইভস্ম থেকে
জেগে ওঠা অচিন ,আতিকায় পাখি যেন তুমি

চির আদিমতার সুবিশাল আঁধার ভুবন থেকে
জগতের সকল অম্লান কথা ও কাহিনী পুনরুদ্ধার করে
হিরণ্ময় আলোকে আলোকিত কর ভুবন আমার ।

ডানার শব্দে সীমাহীন অনন্ত পথে পথে
বুনে যাও জীবনের জয়গান অবিরাম
তোমার কলতানে এঁকে যাও পালক রেখায়
আমার আকাশে কি উল্লাসে আশার ছবি ।

ছায়াচ্ছন্ন রংধনু গোধূলির মায়ামূর্তি তুমি বহুমাত্রিক বিস্তারে
সাথে করে টেনে নাও হৃদয়ের উচ্ছ্বাস যত
কোন পথে সাবলিল অনমনীয় অপার উড়াল উজ্জ্বলতম স্বর্গদ্বারে ।
(Collection)

কামদুনি -দেবেশ ঠাকুর

কামদুনি
দেবেশ ঠাকুর

মেয়েটি কলেজের ছাত্রী
মেয়েটি পথ হাঁটে রোজদিন
মেয়েটির মা বাপ আনপড়
অপুষ্টি উপবাসে সঙ্গিন।
মেয়েটি লেখাপড়া শিখবেই
অদূরে নগরের মায়াডাক
যে নগর জেগে আছে রেনেসাঁস
এ গাঁয়ে বীণাপাণি ঘুম যাক।

মেয়েটি কলেজের ছাত্রী
দুচোখে স্বপনের ইমারত
আরো সে পড়বে, পড়বেই
পড়াবে, পড়বে সে যুগপৎ।
যে আলোক চিনে দেয় অক্ষর
সে আলোয় মেয়েটিকে ধর্ষণ
ছিলোনা সংজ্ঞায় , আঘাতে
সেদিন মেঘ - ভাঙা বর্ষণ।

মেয়েকে চিরে জরা রাক্ষস
পশুও এর চেয়ে দয়াময়
এ কোন রাত্রির কথা ভাস
সময় বোঝে কি এ সংশয়!
এবার দাম আর দস্তুর
কিশোরী নিলামের পাটাতে
এবার লাশ নিয়ে মেধা-বাদ
কে কাকে পথে নেবে হাঁটাতে!

ও কবি ও গায়ক আঁকিয়ে
মোমবাতি জ্বালো সুতো পাকিয়ে।

চলাচল

চলাচল


তুমি যখন চুড়ায় পৌঁছানোর আশায়

ঊর্ধ্বমুখী সিঁড়ি খুঁজছো

আমি তখন নিম্নগামী অনেকটাই ,

তুমি যখন প্রবল উচ্ছ্বাসে

আগমনের উল্লাসে মুখর

আমি তখন প্রত্যাবর্তনের পথে ।

শুরুটা একই ছিল , সময়টাও এক

অথচ মাঝ পথে এসে তুমি

থমকে দাঁড়ালে দ্বিধাদ্বন্দ্বের দোলাচলে ।

পিছুটান বড় বেশী , বড় বেশী সংশয় মনে

বৃত্ত পূরণের আগেই কক্ষচ্যুত তুমি

পূর্ণবৃত্তের কেন্দ্রে নিশানা উড়িয়ে আমি ফিরে চলি ।

রাত আসছে ঐ

রাত আসছে ঐ

দিনের সূর্য অস্ত গেল রাত আসছে ঐ
মাগো আমার মশা তাড়াবার কয়েল গুলো কই?
বেড়ার দারে,পুকুর পারে মশা দাকে ঝুপে জারে.
মশার জ্বালায় ঘুম আসে না একলা জেগে রই
মাগো আমার মশা তাড়াবার কয়েল গুলো কই?
সেদিন থেকে কয়েল কিনে কেনইবা না আন
আমি বলি তুমি কেন চুপটি করে থাকো?
পড়ার টেবিলে আসি যখন মশার জ্বালায় জ্বলি তখন
বাজার থেকে কেন মা আর কয়েল আন নাকো?
আমি বলি তুমি কেন চুপটি করে থাকো
কয়েল কিনে না আনলে মা যে,মশার জ্বালায় মরব শেষে
তুমি তখন একলা গড়ে কেমন করে 'র' বে ?
আমিও নাই মশাও নাই কেমন মজা হবে .
মশায় মশায় ভরে গেছে শিউলি গাছের তল
তাড়িয়ে দিস মা পুকুর থেকে আনবি যখন জল
পুকুর পারের গাছের ফাঁকে মশা গুলো লুকিয়ে থাকে |
গাছটা যেন কাটিস মাগো পেরে গেছের ফল
কাল যে কয়েল আনবি কিনা এবার আমায় বল
দিনের সূর্য অস্ত গেল রাত আসছে ঐ
মাগো আমার মশা তাড়াবার কয়েল গুলো কই
মশার জ্বালায় ঘুম আসেনা -তাইতো জেগে রই
রাত হল যে মাগো,আমার কয়েল গুলো কই?

(ছোটদের জন্য লিখলাম ভাল লাগলে লাইক দিবেন )